• আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা

    ইউরোপের এ দেশটি বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। বাংলাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা আয়ারল্যান্ডে যেতে ইচ্ছুক, তাঁদের জন্য দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি।
    যেসব ডিগ্রি অর্জন করা যেতে পারেঃ
    • ব্যাচেলর ডিগ্রি,
    • হায়ার ডিগ্রি
    • মাস্টার ডিগ্রি এবং
    • ডক্টরাল বা পিএইচডি ডিগ্রি।
    সেমিস্টারসমূহঃ
    ১• ফল সেমিস্টারঃ আগস্ট থেকে ডিসেম্বর
    ২• স্প্রিং সেমিস্টারঃ জানুয়ারি থেকে মে।
    কোর্সের মেয়াদঃ
    ব্যাচেলর ডিগ্রি তিন থেকে চার বছরের হয়ে থাকে। তবে ভেটেরিনারি মেডিসিন, আর্কিটেকচার, ডেনটিস্ট এবং মেডিসিনের ক্ষেত্রে ছয় বছর লাগে। মাস্টার ডিগ্রি এক থেকে তিন এবং ডক্টরাল কিংবা পিএইচডি ডিগ্রি তিন থেকে পাঁচ বছর মেয়াদি।
    ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের আওতাধীন বিষয়ঃ
    অ্যাকাউটিং, অ্যাগ্রিকালচার, অ্যানাটমি, অ্যাপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্স, আর্কিটেকচার, ডিজাইন, আর্টস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ, অডিও ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং, এভিয়েশন স্টাডিজ, ব্যাংকিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, বায়োকেমিস্ট্রি, বায়োলজিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স, বায়োমেডিকেল সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সিরামিকস, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া, ডান্স, ড্রামা, ই-কর্মাস, ইকোনমিকস ইত্যাদি।
    টিউশন ফিঃ
    আয়ারল্যান্ডে ব্যাচেলর ডিগ্রির ক্ষেত্রে বছরে ১০ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার ১৫০ ইউরো এবং মাস্টার ডিগ্রির ক্ষেত্রে সাত হাজার ৪০০ থেকে ১৫ হাজার ৭২০ ইউরো টিউশন ফি লাগে।
    ভর্তির যোগ্যতাঃ
    ক• ব্যাচেলর প্রোগ্রামঃ ১২ বছরের শিক্ষাজীবন অর্থাৎ এইচএসসি পাস হতে হবে। IELTS-এ ৫•৫ থেকে ৬•০ পয়েন্ট পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBTতে ২১৩ বা IBTতে ৭৯ থেকে ৮০ পয়েন্ট হতে হবে। খ• মাস্টার্স প্রোগ্রামঃ ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন হতে হবে। IELTS-এ ৬•০ থেকে ৬•৫ পয়েন্ট পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBT তে ২১৩ থেকে ২৩৭ বা IBT তে ৭৯ থেকে ৯৩ পয়েন্ট হতে হবে।
    ভর্তির আবেদন প্রস্তুতিতে যা করতে হবেঃ
    যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনপত্র পেতে চাইলে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। অবশ্য কোনো কোনো ইউনিভার্সিটির অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত অফিস থেকেও আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। কাগজপত্রসহ যথাযথ আবেদন করার পর ভিসা পেতে বছরখানেক সময় লাগে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ছয় থেকে আট মাসের মধ্যেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তাদের মতামত জানিয়ে দেয়।
    প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ
    সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে শিক্ষাগত কাগজপত্রসহ নম্বরপত্র, আবেদনপত্রের ফি পরিশোধের রসিদ, ওঊখঞঝ বা ঞঙঊঋখ-এর ফল, পাসপোর্টের অনুলিপি, স্পন্সরের কাছ থেকে পাওয়া আর্থিক দায়দায়িত্বের চিঠি এবং পাসপোর্ট আকারের ছবি। উল্লেখ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অবশ্যই ইংরেজিতে হতে হবে।
    ক্রেডিট ট্রান্সফারঃ
    শিক্ষার্থীরা আন্ডার-গ্র্যাজুয়েট কিংবা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েটের ক্ষেত্রে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে কোর্স ৫০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হলে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যাবে না। একাডেমিক ট্রান্সক্রিপটের অফিশিয়াল কপি জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোর্স সম্পন্ন করা হয়েছে, সেখানকার কাগজপত্র দিতে হয়। আয়ারল্যান্ডের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম বি গ্রেড পর্যন্ত নেওয়া হয়।
    কাজের সুযোগঃ
    আয়ারল্যান্ডে সাধারণত ইউরোপের বাইরের দেশের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য অনুমোদন নিতে হয়। ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা এবং ছুটির দিনে সর্বোচ্চ ৪০ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন।
    কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব ঠিকানাঃ
    1. Dublin City University, http://www.dcu.ie
    2. University Of Limerick, http://www.ul.ie
    3. University Of Dublin, http://www.tcd.ie
    4. National University Of Ireland, http://www.nui.ie
    5. University Of Ulster, http://www.ulster.ac.uk
    6. Queen?s university, http://www.qua.ac.uk
    7. Schiller International University, http://www.schilla.edu