• হার্টের সুস্থতার জন্য যে ৭টি খাবার প্রয়োজন

    দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো হৃদপিন্ড বা হার্ট। কারণ এর মাধ্যমে সারা দেহে রক্ত প্রবাহিত হয়। আর রক্ত দেহে অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান পরিবহণ করে। বর্তমানে বয়স্কদের পাশাপাশি তরুণেরাও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কিছুটা সচেতনতা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা এবং খাদ্যাভ্যাস পারে হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করতে।
    জেনে নিন তেমনি কিছু খাবার যেগুলো হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে-
    ১। কমলা
    কমলা সাইট্রাস পেকটিন জেলাটিন ৩ নামক প্রোটিন দূর করে যা হৃদপিন্ডের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা তৈরি করে। এছাড়া এটি ব্লাড প্রেশার, কোলেস্টেরল এবং হার্ট ফেইলিওর প্রতিরোধ করে থাকে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রচুর পরিমাণ সবজি এবং ফল খাওয়া ৩৭% পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে পারে।
    ২। টমেটো
    টমেটোতে আছে লাইকোপিন যা হৃদপিন্ড সুস্থ রাখার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্ত নালী খোলা রাখে। টমেটোতে খুব সামান্য পরিমাণ চিনি রয়েছে, যা হার্টে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।
    ৩। স্যামন মাছ
    স্যামন এবং অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ সার্ডিন ইত্যাদিকে হার্ট হেলদি খাবার বলা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা অনিয়মিত হার্টবিট এবং হার্টে ছিদ্র হওয়া প্রতিরোধ করে। সপ্তাহে একবার হলেও ওমেগা থ্রি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।
    ৪। সয়া প্রোডাক্ট
    সয়া প্রোডাক্ট যেমন- সয়া দুধ, সয়া বিন, টফু ইত্যাদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। এই খাবারগুলো শরীরের থেকে কোলেস্টেরল এবং অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট দূর করে থাকে।
    ৫। ওটমিল
    ওটমিল দ্রবণীয় আঁশ যা কোলেস্টেরল কম রাখে। তবে চিনিযুক্ত ওটমিল স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণ ওটমিল খাওয়ার চেষ্টা করুন।
    ৬। ডার্ক চকলেট
    সমীক্ষা মতে, ডার্ক চকলেট হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন কিছু পরিমাণ ডার্ক চকলেট খাওয়ার চেষ্টা করুন, এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক প্রতিরোধ করে।
    ৭। কাঠ বাদাম
    প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এক মুঠো কাঠ বাদাম রাখুন। এটি অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখবে এবং মোটা হওয়া প্রতিরোধ করবে। এটি রক্তে এইচডিএল এর মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়া ডালিম, লেবু, আলু, পেস্তা বাদাম, কাজু বাদাম, অলিভ অয়েল, গ্রিন টি, ব্রকলি, পালং শাক ইত্যাদি খাবার হার্ট সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে।