• ভিডিও গেমসের কাহিনী

    ভিডিও গেম্‌স হচ্ছে একটি ইলেকট্রনিক গেম্‌স যা ইউজারের সাথে ভিডিও ডিভাইজে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া জন্মায়। ভিডিও গেম্‌সকে আজকাল তার জনপ্রিয়তার জন্যে যন্ত্রে ডিস্‌প্লে ডিভাইজ ব্যবহৃত হয়। ভিডিও গেম্‌স খেলার জন্য যে সকল ইলেকট্রনিক সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় প্লাটফর্ম। যেমন পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ভিডিও গেম কনসোল। তাছাড়া ভিডিও গেম্‌স ব্যবহৃত হয় ইনপুট ডিভাইজ। যেমন পি.এস.পিতে খেলার জন্য ব্যবহৃত গেম কন্ট্রোলার, জয়স্টিক। কম্পিউটারে খেলার জন্য কী-বোর্ড ও মাউজ ব্যবহৃত হয়।
    ভিডিও গেমের ইতিহাস জন্য ফিরে যেতে হবে ১৯৪০-এর দশকে, যখন থমাস টি. গোল্ডস্মিথ জুনি. এবং এস্টেল রে ম্যানন কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের প্যাটেন্টে আবেদন করে একটি আবিস্কারের জন্য যা তারা বর্ণনা করে ``বিনোদনমূলক ক্যাথোড রে টিউব ডিভাইস``।
    ১৯৫৮ সালের কথা। ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরী`র ইন্সট্রুমেন্টেশান ডিভিশানের প্রধান উইলিয়াম আলফ্রেড হিগিনবোথাম। তিনি নিউক্লিয়ার নন প্রোলিফারেশান নিয়ে গবেষনা করতেন। নানাপ্রয়োজনে গবেষনাগারে মাঝে মাঝে কিছু দর্শনার্থীর সমাগম ঘটত। গবেষণাগার বিজ্ঞানীদের জন্য বেহেশত খানা হলেও স্বাধারন লোকের জন্য চরম বোরিং একটা জায়গা। দর্শনার্থীদের কথা বিবেচনা করে হিগিনবোথাম একটা কম্পিউটার গেম আবিষ্কার করলেন যাতে আগতদের সময়টা ভালো কাটে। হিগিনবোথামের আবিষ্কৃত টেনিস গেমটিই পৃথিবীর প্রথম নির্মিত কম্পিউটার গেম। ১৯৬৮ সালে র্যা লফ বেয়ার ভিডিও গেমসের উপর কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭১ সালে তিনি টিভি গেমস এপ্যারেটাসের প্যাটেন্ট অর্জন করেন। ১৯৭২ সালে ম্যাগানাভক্স “ব্রাউন বক্স”র লাইসেন্স অর্জন করেন এবং ম্যাগানাভক্স ওডেসি নামে বাজারে ছাড়েন। একই বছরে আর্কেড গেম “পং” গেম আবিষ্কার করেন নোলান বুশনেল।
    হাজারো ভিডিও গেম বাজারে এসেছে। তাদের ইতিহাস লেখা কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। আপনারও পড়তে ভালো লাগবে না। জাস্ট শুরুর গল্পটা বললাম। সনির প্লে স্টেশান তো আমাদের যুগের কথা। ভিডিও গেমের জায়গা দখল করে নিয়েছে মোবাইল গেম। মোবাইল গেমে পূর্নতা দিয়েছে এন্ড্রয়েড সেটগুলো। এংরি বার্ড যে একবার খেলেছে সে এই গেমের প্রেমে না পড়ে পারে না। হিগিনবোথাম তার আবিষ্কৃত টেনিস গেম সম্পর্কে বলেছিলেন, মানুষ আমার নিউক্লিয়ার গবেষনার কথা মনে রাখবে না কিন্তু আমার এই ভিডিও গেমের কথা মনে রাখবে।
    কিন্তু ভিডিও গেম জনপ্রিয়তায় পৌছায় না সত্তুর আশির দশকের আগে যতদিননা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ `আর্কেড গেম্‌স`, কনসোল গেম্‌স, হোম কম্পিউটার গেমস্ এর সাথে পরিচিত হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত, ভিডিও গেম বিনোদনের জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম এবং আধুনিক সংস্কৃতির অঙ্গ। ২০১৩ পর্যন্ত আট প্রজন্মের ভিডিও গেম কনসোল রয়েছে।
    কম্পিউটার গেম্‌স
    যেসব গেম্স সাধারনত কম্পিউটারে খেলা হয়ে থাকে তাকে কম্পিউটার গেম্স বলে। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারে গেমস খেলা, বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাধারনত গেম সফটওয়্যার হিসেবে থাকে। এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড অথবা কিনে খেলা যায়। প্রায় বেশিরভাগ লোকই কম্পিউটারে গেম্স খেলতে পছন্দ করে।
    আর্কেড গেম্‌স
    আর্কেড গেম্‌স (ইংরেজি: Arcade game) (অথবা কয়েন-অপ) হচ্ছে মুদ্রা-চলিত বিনোদন-মূলক যন্ত্র, যা সাধারণত শুঁড়িখানা এবং প্রভৃতি বিনোদন দানকারী স্থাপনা(য়) স্থলভিষিক্ত থাকে। অধিকাংশই ভিডিও গেম, পিনবল যন্ত্র এবং যান্ত্রিক বৈদ্যতিক গেম (যেমন ক্লাও ক্রেনস্)।